স্থপতি মীর মনজুর রহমান।
এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা বন্ধ করে রেস্টুরেন্ট বা দোকান স্থাপনের কার্যক্রম বাতিল চেয়ে সচিবসহ তিন কর্মকর্তার বরাবর ৬ মে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠান আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
নোটিশের জবাব না পেয়ে আজ আদালত অবমাননার আবেদনটি করা হয় জানিয়ে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্নয়ন প্রকল্প ও পরিকল্পনাবিষয়ক প্রতিবেদন ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে। যেকোনো দিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।
আবেদনকারীদের আইনজীবীর ভাষ্যমতে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে ২০০৯ সালে রিট করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ৬ জুলাই হাইকোর্ট কয়েক দফা নির্দেশনাসহ রায় দেন। রায়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের স্থান এবং ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের স্থান সংরক্ষণ করার নির্দেশনা ছিল। রায়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে বিদ্যমান সব ধরনের স্থাপনা অপসারণ করে চিহ্নিত স্থানগুলোতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও বিবেচনাপ্রসূত দৃষ্টিনন্দন ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ করতে বলা হয়ে। অন্য সব স্থাপনা অবিলম্বে অপসারণ করতেও বলা হয়। গাছ কেটে উদ্যানের মধ্যে ব্যবসায়িক স্বার্থে রেস্টুরেন্ট বা দোকান নির্মাণ শুধু আদালতের রায়ই নয়, বরং পরিবেশ সংরক্ষণ আইনেরও পরিপন্থী। মূলত এসব দিক বিবেচনায় আদালত অবমাননার।
Shahedh777.Com


0 Comments